1. admin@dailygrambangla24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাগমারায় জামায়াতের মাদকবিরোধী র‍্যালি বাগমারায় প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে হুমকির অভিযোগ ‎লালমনিরহাটে ​চলতি মাসেই উন্মুক্ত হচ্ছে নতুন রূপের নাগরিক সেবাকেন্দ্র ইউপি পরিষদ গুলো খালেদা জিয়ার হাত ধরেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হয়েছে—–ত্রাণমন্ত্রী দুলু ‎ ‎লালমনিরহাটে ভুট্টা ক্ষেত থেকে শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, রণক্ষেত্র ফলিমারী, এসপিসহ আহত ১৬, ওসি ক্লোজড, আটক ২ ‎ বাগমারায় ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হলেন আব্দুস সোবহান ‎লালমনিরহাট চেম্বারেের নির্বাচনে সভাপতি পদে সেলিম সবুজের জয় ‎ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাগমারায় ভিজিট ফ্রি চিকিৎসা সেবা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি ডা. আব্দুল বারী ‎প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে লালমনিরহাটে ব্র্যাকের অনন্য উদ্যোগ, ৪৩ পরিবারের মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ‎

বাগমারায় গোপনে সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

দৈনিক গ্রামবাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৭ বার পঠিত



বাগমারা প্রতিনিধি :
রাজশাহীর বাগমারায় একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গোপনে সরকারি বই বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাঙড়ি ব্যবসায়ীর কাছে বই বিক্রির সময় স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম ফরিদুল ইসলাম। তিনি উপজেলার কুমারপুর আরজানিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরের পর অধ্যক্ষ ফরিদুল ইসলাম কয়েক বস্তা পুরাতন বই মাদ্রাসা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে দ্বীপপুর এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে ভাঙড়ি ব্যবসায়ীর কাছে বই ও কিছু খাতাপত্র পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রির চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি দেখে সরকারি বই কেন বিক্রি করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরে স্থানীয়রা মুঠোফোনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপারভাইজার ঘটনাস্থলে যান। তিনি বস্তাভর্তি বই বিক্রির চেষ্টার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সেগুলো ফেরত নিয়ে যেতে নির্দেশ দেন।
মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি নুরতাজ হোসেন বলেন, সরকারি বই বিক্রির বিষয়ে তাঁদের কাছ থেকে কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি। গোপনে পাঁচ কিলোমিটার দূরে এনে বই বিক্রির চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ফরিদুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসায় বই রাখার জায়গা না থাকায় পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রির জন্য বইগুলো নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে বাধার কারণে বিক্রি করতে পারেননি। অনুমতি ছাড়া বই বিক্রির চেষ্টা করা ঠিক হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ড. মুহাম্মদ আবদুল মুমীত বলেন, সরেজমিন তদন্তে বস্তাভর্তি পুরাতন বই বিক্রির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বইগুলো ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের। অনেক বই ছেঁড়া হলেও প্রশাসন বা মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি ছাড়া এসব বই বিক্রি করার সুযোগ নেই। এ কারণে অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর