আ: সালাম , ক্রীড়া প্রতিবেদক:
মান্দা উপজেলা প্রশাসন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ফাইনাল খেলায় টাইব্রেকারে মান্দা ইউনিয়ন পরিষদ ৪-২ গোলে কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। বৃহস্প্রতিবার (০৩ জুলাই) বিকেলে মান্দা উপজেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে বড়পই ফুটবল মাঠে টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলাটি উদ্বোধন ঘোষণা করেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আব্দুল আউয়াল।
উক্ত খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহ আলম মিয়া। উপজেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনাল ম্যাচে যে দুটি দল পরস্পরের মুখোমুখি হয়, মান্দা ইউনিয়ন পরিষদ VS কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ। উভয় দলে তারকা ফুটবলারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদের হয়ে খেলেন ঢাকা মোহামেডানের গোলকিপার মোঃ ইব্রাহিম এবং মান্দা ইউনিয়ন পরিষদের গোলকিপার হিসেবে খেলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ জাতীয় দলের গোলকিপার লিংকন। এছাড়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলার সাব্বির ,স্বাধীন কুসুম্বা দলের হয়ে অসাধারণ ফুটবল খেলেন। খেলার শুরু থেকেই দুটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ ফুটবল উপহার দেন। আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণের মধ্য দিয়ে খেলাটি অতিবাহিত হলেও কোন দল গোলের দেখা পায়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে খেলাটি গোলশূন্য ব্যবধানে শেষ হলে খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে মান্দা ইউনিয়ন পরিষদ ৪-২ গোলে কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলাটা উপভোগ করার জন্য অসংখ্য দর্শক এবং সেইসাথে অসংখ্য প্রমীলা দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মখলেছুর রহমান মকে, মান্দা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকরামুল বারী টিপু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আরিফুর রহমান, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক এম এ মতিন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার মোঃ এনামুল হক, বড়পই জাগরণী ক্লাবের আহ্বায়ক মোঃ বাবুল হোসেন, মান্দা যুব দলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল জলিল, যুগ্ন আহ্বায়ক আব্দুল মালেক। ফাইনাল খেলাটি পরিচালনা করেন নওগাঁ জেলা রেফ্রি এসোসিয়েশনের সদস্য মোঃ শামীম আহমেদ এবং নয়ন কুমার ও আব্দুল মতিন। চতুর্থ রেফ্রি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। ধারা বিবরণীতে ছিলেন উত্তর বঙ্গের জনপ্রীয় ধারা ভাষ্যকার মোঃ ইমদাদুল হক রনি এবং স্থানিয় ধারা ভাষ্যকার টুটুল আহমেদ।
খেলাটির সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করেন বাংলাদেশ সেনাবানী, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য বৃন্দ।
খেলাটি G-sports অনলাইন ফেইজবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় । খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে একটি হিরো ৮০ সিসি মোটরসাইকেল এবং রানারআপ দলকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।