এম কে হীরা মানিক, সারিয়াকান্দি(বগুড়া)প্রতিনিধি:
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সাড়া দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) । তাঁর মানবিক সহায়তায় অবশেষে পূরণ হলো হিন্দুকান্দি এলাকার অসহায় নারী ছবি বেগমের নতুন ঘরের স্বপ্ন।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ছবি বেগমের হাতে দুই বান্ডিল ঢেউটিন ও ছয় হাজার টাকার চেক তুলে দেন ইউএনও শাহরিয়ার রহমান। এই সহায়তা আসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে।
ছবি বেগমের পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ নেই। ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী লাল মিয়া ও স্বামী পরিত্যক্তা মেয়েকে নিয়ে কষ্টে দিন পার করছিলেন তিনি। বর্ষা মৌসুমে জরাজীর্ণ টিনের ছাউনি চুঁইয়ে পড়া পানি তাদের নিত্যসঙ্গী। ঘর মেরামতের সামর্থ্য না থাকায় বছরের পর বছর এমন অবস্থাতেই বসবাস করছিল পরিবারটি।
এমন মানবিক দুর্দশার চিত্র স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি ইউএনও শাহরিয়ার রহমানের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেন।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে লাল মিয়া বলেন, “মেঘ দেখলেই বুক কেঁপে উঠতো। সন্তানদের নিয়ে কত রাত ভিজে কাটিয়েছি! ইউএনও স্যার আমাদের আশার আলো দেখালেন। এই সহায়তা আমাদের নতুন ঘর তৈরির পথ খুলে দিয়েছে।”
এ বিষয়ে ইউএনও শাহরিয়ার রহমান বলেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সব সময় চেষ্টা করি অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে। ছবি বেগমের মতো প্রতিটি সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সরকারি সেবার আওতায় আনাই আমাদের লক্ষ্য।” পর সাড়া দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। তাঁর মানবিক সহায়তায় অবশেষে পূরণ হলো হিন্দুকান্দি এলাকার অসহায় নারী ছবি বেগমের নতুন ঘরের স্বপ্ন।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ছবি বেগমের হাতে দুই বান্ডিল ঢেউটিন ও ছয় হাজার টাকার চেক তুলে দেন ইউএনও শাহরিয়ার রহমান। এই সহায়তা আসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে।
ছবি বেগমের পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ নেই। ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী লাল মিয়া ও স্বামী পরিত্যক্তা মেয়েকে নিয়ে কষ্টে দিন পার করছিলেন তিনি। বর্ষা মৌসুমে জরাজীর্ণ টিনের ছাউনি চুঁইয়ে পড়া পানি তাদের নিত্যসঙ্গী। ঘর মেরামতের সামর্থ্য না থাকায় বছরের পর বছর এমন অবস্থাতেই বসবাস করছিল পরিবারটি।
এমন মানবিক দুর্দশার চিত্র স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি ইউএনও শাহরিয়ার রহমানের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেন।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে লাল মিয়া বলেন, “মেঘ দেখলেই বুক কেঁপে উঠতো। সন্তানদের নিয়ে কত রাত ভিজে কাটিয়েছি! ইউএনও স্যার আমাদের আশার আলো দেখালেন। এই সহায়তা আমাদের নতুন ঘর তৈরির পথ খুলে দিয়েছে।”
এ বিষয়ে ইউএনও শাহরিয়ার রহমান বলেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সব সময় চেষ্টা করি অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে। ছবি বেগমের মতো প্রতিটি সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সরকারি সেবার আওতায় আনাই আমাদের লক্ষ্য।