মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন দপ্তর এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেদখল জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বেদখল হওয়া ও জমির দলিল সংরক্ষণে না থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ৬টি নির্দেশনা পালনের জন্য বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি নিয়ে মামলা রয়েছে তার তালিকা সংগ্রহ করে অধিদপ্তরের আইন শাখায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২৪ মে অনুষ্ঠিত অধিদপ্তরের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন যে সব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি দখলে নেই তাদের উল্লিখিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হলো।
যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি প্রতিষ্ঠানের দখলে নেই এবং সম্পত্তি নিয়ে মামলা রয়েছে সেসব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সম্পত্তি রক্ষার্থে মামলা পরিচালনাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে একটি কমিটি গঠন করে কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
বেসরকারি স্কুল-কলেজের ক্ষেত্রে যে সব সম্পত্তি বেদখল বা মামলা চলমান রয়েছে সেসব মামলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের অত্যাবশ্যকীয় তহবিল থেকে মামলা পরিচালনার জন্য ব্যয়ভার নির্বাহ করবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের ‘ক’ তফসিলভুক্ত জমিগুলো সরকারি লোকাল আদালত থেকে চিহ্নিত করে নাম কর্তন-কেটে এবং ‘খ’ তফসিলভুক্ত জমিগুলো হালনাগাদ মিউটেশন করে মাউশি অধিদপ্তরের অধীন নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।








