1. admin@dailygrambangla24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাগমারায় জামায়াতের মাদকবিরোধী র‍্যালি বাগমারায় প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে হুমকির অভিযোগ ‎লালমনিরহাটে ​চলতি মাসেই উন্মুক্ত হচ্ছে নতুন রূপের নাগরিক সেবাকেন্দ্র ইউপি পরিষদ গুলো খালেদা জিয়ার হাত ধরেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হয়েছে—–ত্রাণমন্ত্রী দুলু ‎ ‎লালমনিরহাটে ভুট্টা ক্ষেত থেকে শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, রণক্ষেত্র ফলিমারী, এসপিসহ আহত ১৬, ওসি ক্লোজড, আটক ২ ‎ বাগমারায় ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হলেন আব্দুস সোবহান ‎লালমনিরহাট চেম্বারেের নির্বাচনে সভাপতি পদে সেলিম সবুজের জয় ‎ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাগমারায় ভিজিট ফ্রি চিকিৎসা সেবা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি ডা. আব্দুল বারী ‎প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে লালমনিরহাটে ব্র্যাকের অনন্য উদ্যোগ, ৪৩ পরিবারের মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ‎

মান্দায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

দৈনিক গ্রামবাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২০৪ বার পঠিত




মান্দা (নওগাঁ ) প্রতিনিধি :

নওগাঁর মান্দা উপজেলার বাথইল গোপাল প্রামাণিক উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাত ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আজ সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য সুনীল কুমার, শিক্ষার্থী অভিভাবক নাছের উদ্দিন মোল্লা, আব্দুস সামাদ ও গোলাম মাওলা, প্রাক্তন ছাত্র রিপন কুমার সরকার, স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন, হারুন অর রশীদ ও আমিনুল ইসলাম।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র রিপন কুমার সরকার বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের টিনসহ আসবাবপত্র বিক্রি করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করেন। বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা বেশকিছু দোকানঘর ভাড়া দেওয়া হলেও এর কোনো হিসাব নেই। সহকারী শিক্ষক সোহরাব হোসেনের সহায়তায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসব টাকা আত্মসাত করেন।
প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য সুনীল কুমার নতুন ভবন নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে বলেন, ‘ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজস করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ভবনটি তড়িঘড়ি করে বুঝে নেন। অথচ কয়েক মাসের মধ্যেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার পানির ব্যবস্থা নেই। স্বেচ্ছাচারি কায়দায় একক সিদ্ধান্তে তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। অবিলম্বে এসবের তদন্ত করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণসহ শাস্তির দাবি করছি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি, মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর