
মাত্র ৫০০/৬০০ গ্রাম লাকড়ি দিয়ে এক ঘন্টা জ্বলবে LSC STOVE. এর লাকড়ি চুলা
রাজশাহী বাগমারা থেকে মোবারক:
উদ্যোগক্তা ইব্রাহিম হোসেন, জন্ম রাজশাহীর বাগমারার এক নিভৃত পল্লী গ্রামে, গ্রামের নাম চন্ডিপুর, ২ নং নরদাশ ইউপি র ৬ নং ওয়ার্ড। লেখাপড়া শেষ করে চাকরীর অপেক্ষায় না থেকে নিজেই গড়ে তুলেছেন LSC STOVE. আধুনিক এক লাকড়ি চুলার বিশাল প্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রায় ১০০০ বেকার যুবকের কর্ম সংস্থান হয়েছে। বর্তমানে সারা বংলাদেশে ব্যপক সাড়া ফেলেছে এই চুলা। আগুনও জ্বলবে গ্যাসের চুলার মত। আগুনের স্পিড কমানো ও বাড়ানো যাবে গ্যাসের চুলার মতই সরকারের পরিবেশ ও জ্বালানী বিষয়ক সংস্থা IDCOL এর আওতায় এই চুলা আনা হয়েছে, এটা বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউট থেকে সার্টিফাইড চুলা। এটা আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব * এটা ব্যাপক জ্বালানী সাশ্রয়ী, মাত্র কয়েক টুকরা লাকড়ি দিয়েই রান্না সম্পন্ন হয়।
লাকড়ি সাশ্রয়ী হওয়ার কারণ ?
সাধারণত লাকড়ির চুলায় রান্না করলে লাকড়ি পুড়ে কয়লা হয়ে থেকে যায় কিন্তু আমাদের চুলাতে মিনি একটা ফ্যান লাগানোর কারণে লাকড়িকে পুড়িয়ে ছাইয়ে রূপান্তরিত করে দেয় যার কারণে লাকড়ি সাশ্রয়ী হয় আমরা কমবেশি সবাই জানি লাকড়ির চেয়ে কয়লা দীর্ঘক্ষণ সময় নিয়ে জলে* চুলার সাথে ছোট একটি কুলিং ফ্যান সেটিং করা আছে যেটা রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে চলবে আর ব্যাটারি আমরা চুলার সাথেই ফ্রি দিয়ে দিচ্ছি ,ফ্যানের বাতাসের মাধ্যমে বার্নারে নির্দিষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন তৈরি করে ফলে কোনো ধোঁয়া হয় না এবং আগুনের তাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।* কাঠকে জ্বালিয়ে শেষ করে ফলে উল্লেখযোগ্য ছাই হয় না এবং স্বাভাবিক চুলা থেকে দীর্ঘ সময় আগুন জ্বলতে সহায়তা করে ও আগুনের তাপমাত্রা বেশি থাকে যার কারনে রান্না খুব দ্রুত হয়। এটাতে কাঠ বা শক্ত জাতীয় লাকড়ি ব্যবহার করতে হয়, তাই এর সাথে থাকা ছোট ফ্যানের বাতাসে জ্বালানি কে কয়লায় রূপান্তর করে এবং জ্বলন্ত কয়লায় বাতাস লাগার কারণে ধীরে ধীরে কয়লা শেষ হয়ে ছাইয়ে রূপান্তরিত হয়,ছাই বা উচ্ছিষ্ট সহজেই বার্ণার উঠিয়ে পরিষ্কার করে নিতে পারবেন।প্রথমে চুলার উপর দিয়ে লাকড়ি ব্যবহার করে আগুন জ্বালিয়ে নিতে হবে। এরপর রান্না অবস্থায় পাতিলের নিচ দিয়ে অনেকটা জায়গা ফাঁকা থাকবে সেখান দিয়ে এক/ দুই টুকরো লাকড়ি দিয়ে দিতে পারবেন, ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরপর লাকড়ি দিতে হয় যেহেতু ধোঁয়া হয়না তাই কিচেনে কালি হবেনা তবে পাতিলের তলায় কালি হবে তবে তাতে তেমন কোন সমস্যা নাই। রান্না শেষে কাপড় দিয়ে মুছে ফেলা যায়। এটা তেলতেলে কালি নয়,লেগে থাকেনা। উন্নত মানের স্টিলনেস স্টিল (SS) দ্বারা তৈরি তাই এটি টেকসই ও মজবুত ।চুলাতে তিন বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন চার্জার ও ফ্যানে ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি পাবেন।
বর্তমানে যারা ব্যাহার করছেন এই চুলা তারা হলেন, হাটগাঙ্গোপাড়া বন্দুদের আড্ডা, বাসনা জনকল্যান সংস্থা, নরদাশ, সিরাজুল চায়ের ষ্ঠল, গাঙ্গোপাড়া, সহ রাজধানী ঢাকার অনেক নামি দামী প্রতিষ্ঠানে এই চুলা ব্যবহার হচ্ছে এবং তারা গ্যাসের চুলার থেকে অনেক কম খরচে রান্নার কাজ করতে পারছেন বলে জানা গেছে।