1. admin@dailygrambangla24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাগমারায় জামায়াতের মাদকবিরোধী র‍্যালি বাগমারায় প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে হুমকির অভিযোগ ‎লালমনিরহাটে ​চলতি মাসেই উন্মুক্ত হচ্ছে নতুন রূপের নাগরিক সেবাকেন্দ্র ইউপি পরিষদ গুলো খালেদা জিয়ার হাত ধরেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হয়েছে—–ত্রাণমন্ত্রী দুলু ‎ ‎লালমনিরহাটে ভুট্টা ক্ষেত থেকে শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, রণক্ষেত্র ফলিমারী, এসপিসহ আহত ১৬, ওসি ক্লোজড, আটক ২ ‎ বাগমারায় ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হলেন আব্দুস সোবহান ‎লালমনিরহাট চেম্বারেের নির্বাচনে সভাপতি পদে সেলিম সবুজের জয় ‎ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাগমারায় ভিজিট ফ্রি চিকিৎসা সেবা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এমপি ডা. আব্দুল বারী ‎প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে লালমনিরহাটে ব্র্যাকের অনন্য উদ্যোগ, ৪৩ পরিবারের মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ‎

আলু চাষিদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে: বস্তা ও সারের দামে অস্বাভাবিক উল্লম্ফন

দৈনিক গ্রামবাংলা ২৪ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫১ বার পঠিত

রবিউল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক |

দেশের কৃষিখাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল আলু চাষে এবার চরম সংকটে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা। আলুর মৌসুমে হঠাৎ করেই বস্তা ও রাসায়নিক সারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় লাভ তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচই তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

আলু সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের জন্য ব্যবহৃত চটের বস্তার দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। কৃষকদের অভিযোগ, আগে যে বস্তা ৮০ থেকে ৯০ টাকায় পাওয়া যেত, বর্তমানে তা কিনতে হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায়। এতে করে আলু বিক্রির সময় ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা কম দিচ্ছেন, যার পুরো চাপ গিয়ে পড়ছে কৃষকের ওপর।
বেদারুল নামে একজন ক্ষতিগ্রস্ত চাষি বলেন, “বস্তার দাম বাড়ায় আমরা বাধ্য হয়ে কম দামে আলু বিক্রি করছি। এতে লাভ তো হচ্ছে না, বরং লোকসান গুনতে হচ্ছে।”
সারের আকাশচুম্বী মূল্য
বস্তার পাশাপাশি রাসায়নিক সারের দামও কৃষকদের জন্য নতুন করে দুর্ভোগ তৈরি করেছে। বাজারে ডিএপি সার, যা আগে ১০৫০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তা ১৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে ফসফেট সারের দাম ১৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯০০ টাকায়।
কৃষকদের দাবি, এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা বর্তমান বাজার দরে পুষিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী চাষিদের অভিযোগ, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট ইচ্ছাকৃতভাবে আলু সংগ্রহের মৌসুমে বস্তা ও সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে করে কৃষকরা প্রতিনিয়ত শোষণের শিকার হচ্ছেন বলে তারা দাবি করেন।

বুলবুল নামে এক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা কি দেশের শত্রু? আমাদের সাথে কেন এমন আচরণ করা হচ্ছে?” তারা দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষকদের এই সংকট দ্রুত সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আলু চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন অনেকেই, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই কৃষি উপকরণের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর