জাহাঙ্গীর আলম আকাশ,দুর্গাপুর প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বাজুখলসী গ্রামের মৃত কামরুল ইসলামের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রাকিব। এলাকায় পরিচয় দেন এসআই রিপনের সোর্স হিসেবে। এই পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুকর্ম করে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে তার নামে। দুর্গাপুর থানার এসআই রিপনের পূর্ণসহযোগীতায় একই গ্রামের হালিমা খাতুন নামের এক সন্তানের জননীকে অপহরণ করেছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়।
পরবর্তীতে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিকটিমের অভিভাবকগন রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপারের নিকট সহযোগীতা চাইলে, পুলিশ সুপারের সহযোগীতায় ওই নারীকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর থানা পুলিশ। পরে ওই নারীকে তার অভিভাবকদের নিকট পৌছে দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত অপহরণকারীদের কাউকেই পুলিশ কেনো গ্রেফতার করলো না সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
পুলিশের একটি সূত্র মারফত জানা গেছে,
এ বিষয়ে অপহরণকারী রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও থানার এসআই রিপনের নামে মামলা করতে গেলে এসআই রিপন ওই নারীকে হুমকি প্রদান করে এবং অভিযুক্ত রাকিবুল ইসলামকে পালিয়ে যেতে এসআই রিপন পূর্ণসহযোগীতা করে বলেও অভিযোগ অভিভাবকদের।
উল্লেখ্য, গত (১ এপ্রিল) মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০ টার সময় দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বাজুখলসী এলাকা থেকে হালিমা খাতুন নামের ওই নারীকে অপহরণ করা হয়। উপস্থিত জনতা মোটরসাইকেলে অপহরণকারীদের তাড়া করলেও তাদের নাগাল পাওয়া যায়নি। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দুর্গাপুর থানায় ওই নারীর অভিভাবকগন একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এক পর্যায়ে অপহরণকারী চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্ব রোডে ফেলে রেখে যায়।
পরবর্তীতে ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিকটিমের অভিভাবকগন রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপারের নিকট সহযোগীতা চাইলে অবশেষে পুলিশ সুপারের সহযোগীতায় গত (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১ টায় নারীকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা থেকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর থানা পুলিশ। পরে ওই নারীকে তার অভিভাবকদের নিকট পৌছে না দেবার ও পাঁয়তারা করেন। এছাড়াও এস আই রিপন এর নামে অনেক অভিযোগ এলাকাবাসী উপস্থাপন করেন। উদ্ধারকৃত নারীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও সাক্ষাৎকার দেন তার অভিভাবকগণ। তারা বলেন, এসআই রিপন যে ধরনের দুর্ব্যবহার করেন এতে গোটা পুলিশ পুলিশ প্রশাসনের জন্য অসম্মানজনক।এ ধরনের পুলিশের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান ভিকটিম ও অভিভাবকগন।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি দুরুল হুদা বলেন, এস আই রিপনের নামে যে অভিযোগ তুলেছে তার কোন ভিত্তি নেই, এরপরও বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হবে।